আপনার বাইকের মাইলেজ বাড়িয়ে তুলবেন কিভাবে? জেনে নিন সহজ কিছু কৌশল।

বর্তমান সময়ে বাইক কেনার আগ্রহ প্রত্যেকটি ব্যক্তির বিশেষ করে ইয়ং জেনারেশনের বাইকের প্রতি আগ্রহ লক্ষ্য করা যায়। কিন্তু মাইলেজ কিভাবে বাড়ানো যাবে এই বিষয়ে প্রত্যেকের একটা ভাবনা কাজ করে। আজকের এই প্রতিবেদনে মাইনেজ বানানোর সহজ কিছু কৌশল আপনাদেরকে বলতে চলেছি।
১) বায়ুচাপ : বাইকের টায়ার দুই চাকার গাড়ি এবং রাস্তার মধ্যে প্রাথমিক সংযোগ স্থাপনের কাজ করে। এজন্য টায়ারের চাপ বজায় রাখুন, তবে আবার অতিরিক্ত ফুরিয়ে দেবেন না কারণ অতিরিক্ত উড়িয়ে দিলে এটি হ্যান্ডেলিং করতে আবার অসুবিধা হবে। যখন আপনি টায়ার প্রতিস্থাপন করবেন তখন স্টকের আকার দেখে সেটি নেবেন। যদি আকাশ বড় হয়ে যায় তাহলে কন্টাক্ট প্যাচ বৃদ্ধি পায়, এর ফলে আপনার অনুভব হবে গ্রিপ লেভেল বৃদ্ধি পাবে। এর ফলে আপনার মাইলেজ কম হবে।
২) ওয়েল অয়েলড মেশিন : দু চাকার বিভিন্ন যন্ত্রাংশ বিশেষ করে চেইন, ভালোভাবে লুব্রিকেট করবেন। এটি অপ্রয়োজনীয় ঘর্ষণ ছাড়াই পিছনের চাকায় শক্তি তার অন্তর করতে সাহায্য করে। আপনার দুই চাকার গাড়িতে যদি ডিস্ক ব্রেক থাকে তাহলে ইঞ্জিন তেল কুলিং তরল এবং ব্রেক তরলের মধ্যে মাত্রা বজায় রাখার চেষ্টা করুন।
ওজন এবং বায়ুগতিবিদ্যা :
আপনার দুই চাকার গাড়িতে যত বেশি ওজন বহন করবেন ইঞ্জিনের উপর তত বেশি চাপ পড়বে। এজন্য দু চাকার গাড়ি গতি আনার জন্য ইঞ্জিন কে আরও বেশি পরিশ্রম করতে হবে। এর ফলের জ্বালানি খরচ বেশি হয়ে যাবে। যদি আপনার বাইকে ওজন কম রাখেন তাহলে কম পেট্রোল খরচ হবে ফলে জ্বালানি সাশ্রয় হবে।
আরোও পড়ুন : KTM 390 Adventure R vs Royal Enfield Himalayan 450 Mana Black কোনটি বেশি পারফরমেন্স ও মাইলেজ দিয়ে থাকে?
বায়ু গতিবিদ্যা : যে সমস্ত ব্যক্তি বাইক ব্যবহার করেন তাদের মধ্যে একটা মনোভাব রক্ষা করা যায় বিশেষ করে বর্ষাকালে তারা বাইকের সামনে ক্র্যাশ কার্ডের মধ্যে একটা আয়তক্ষেত্রকার জলরোধী বোর্ড লাগায়। যদিও এটি সামনের চাকার স্প্ল্যাশ ট্রাউজারের স্প্রে করা থেকে আটকায়। এটি আপনার মাইলস্টো প্রভাবিত করতে পারে।
পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা : চেষ্টা করবেন বাইককে ময়লা ধুলো ও আবর্জনা মুক্ত রাখতে এর ফলে মসৃণ ও দ্রুত গতি নিশ্চিত করবে। ভেজা অবস্থায় বাইক চালালে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব কাদা ও ময়লা পরিষ্কার করে নেবেন কারণ কাদা শক্ত হয়ে গেলে আপনার বাইকটি খুব সহজেই মরিচা ধরে যাবে। এছাড়া কাদামাটি যে কোন যন্ত্রাংশের ডুপ্লিগেশন শোষণ করে নেয় এর ফলে ঘর্ষণ বৃদ্ধি হবে এবং ইঞ্জিনটি বেশি কাজ করবে।
রক্ষণাবেক্ষণ : বাইক শুধুমাত্র চালালেই হবে না সেটাকে সময়মতো রক্ষণাবেক্ষণ করতে হবে। আপনাকে সব সময় দেখতে হবে যে এয়ার ফিল্টার পরিষ্কার আছে কিনা। দেখে নেবেন স্পার্ক প্লাগটি পর্যাপ্ত কারেন্ট গ্রহণ করার ক্ষমতা সম্পন্ন কিনা এবং একটি সুস্থ, কার্বন-মুক্ত অবস্থায় থাকছে কিনা।
রাইডিং : আপনি যদি গ্র্যান্ড প্রিক্স রেসারের মতো বাইক চালান তাহলে বাইকের মাইলেজের উপর ক্ষতিকর প্রভাব পড়বে। কোন অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সামনে থাকলে শেষ মুহূর্তে ব্রেক না কষে আগেই সামনের পরিস্থিতি দেখে অনুমান করুন এবং ধীরে ধীরে ব্রেক শুরু করার আগে থ্রোটল ছেড়ে দেওয়ার চেষ্টা করুন। বাইকের গতি যতটা সম্ভব কমিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করুন। থেমে থাকা অবস্থাতেই ধীরে ধীরে গতি বাড়ানোর চেষ্টা করুন।
উপরের এই সমস্ত কৌশল গুলো যদি আপনি আয়ত্ত করতে পারেন তাহলে আপনার বাইকের মাইলেজ বাড়াতে আপনি অনেকটাই সক্ষম হবেন।

